Tag Archives: সালমান এফ রহমান

Salman F Rahman remains Sheikh Hasina’s adviser

The vice chairman of Beximco was notified of his appointment in a letter signed by the ruling party’s general secretary Obaidul Quader on Sunday.

The party hopes Salman F Rahman will use his ‘energy, wisdom and merits’ for developing the private sector, the letter says.

salman-f-rahman-awami-league

Salman, who headed the Federation of Bangladesh Chamber of Commerce and Industry (FBCCI) from 1994 to 1996, entered politics in the mid 1990s.

He founded a party ‘Samriddhya Bangladesh Andolan’ but later joined the Awami League.

 

He was made the private sector development adviser to Sheikh Hasina after the Awami League came to power in 2009.

Salman F Rahman and his elder brother Sohail Rahman started their business in 1966 with a jute mill they inherited.

They began the Bangladesh Export Import Company (Beximco) after their mill was nationalised following Bangladesh’s liberation from Pakistan in 1971.

The company began trading in medicines. Beximco is currently the country’s largest business group which employs over 55,000 people.

The group has interests in textiles, pharmaceuticals, ceramics, real estate, energy, trading, ICT and media, financial services, engineering and construction.

Its products are exported to 43 countries, according to the group’s website.

Salman is currently chairman of the IFIC Bank and owns English daily ‘The Independent’ and Independent Television.

The businessman, besides heading the FBCCI, was also president of Bangladesh Textile Mills Association, SAARC Chamber of Commerce and Industry, Bangladesh Association of Pharmaceutical Industries and top sports organisation Abahani Limited.

He had also been a member of the board of directors at Dhaka Stock Exchange (DSE).

Source: http://bdnews24.com/

Advertisements

আবার আলোচনায় সালমান এফ রহমান

আবার আলোচনায় সালমান এফ রহমান!

ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশের একজন অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী বিতর্কিত বক্তা জাকির নায়েকের পিস টিভিতে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছেন। সেখানে কোন নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে পরে বাংলাদেশের কিছু অনলাইন ভিত্তিক পত্রিকা শীর্ষ ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের সাথে জাকির নায়েকের একটি ছবি ছেপেছে এবং ইঙ্গিত করেছে সালমান এফ রহমানই সেই ব্যক্তি।

Salman Rahmanসালমান এফ রহমান ইতিমধ্যে জানিয়েছেন পিস টিভিতে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার প্রতিবেদনটি সত্য নয়।

দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ীকে নিয়ে এইরুপ ভিত্তিহীন রিপোর্ট দেশের ভাবমূর্তি ধ্বংস করবে। সাংবাদিকদের উচিৎ তথ্য যাচাই বাছাই করে প্রকাশ করা এবং প্রকৃত সত্য বের করে আনা।

উল্লেখ্য, জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে তিনি ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দেন এবং তার মালিকানাধীন পিস টিভি সূক্ষ্ম ভাবে জঙ্গিবাদকে উসকিয়ে দেয়।

বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে।

 

 

 

সালমান এফ রহমান পিস টিভিকে টাকা দিয়েছেন এই খবরটি মিথ্যা

বিশ্বজিৎ দত্ত: বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান জাকির নায়েকের পিস টিভিকে দশ মিলিয়ন ইউএস ডলার দেয়ার বিষয়ে গতমঙ্গলবার ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের অনলাইন টেলিভিশনে প্রচারিত একটি সংবাদের বরাত দিয়ে দৈনিক আমাদের অর্থনীতি এবং আমাদেরসময়ডট কমে পরিবেশিত সংবাদটি ছিল ভুল।

প্রকৃতপক্ষে ইন্ডিয়া টুডের খবরটিতে জনাব সালমান এফ রহমান এর নাম ছিলই না। আমরা জনাব সালমান এফ রহমানকে জড়িয়ে এই ভুল সংবাদপরিবেশন করার জন্য অত্যন্ত লজ্জিত ও অবশ্যই ক্ষমাপ্রার্থী।

ইন্ডিয়া টুডের অনলাইন টেলিভিশনে পরিবেশিত প্রকৃত খবরটি নিম্নরূপ।

পিস টিভিতে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার বিনিয়োগ ১০ মিলিয়ন ডলার

আবু সাইদ: বাংলাদেশের একজন শীর্ষ ব্যবসায়ী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতা জাকির নায়েকের পিস টিভির প্রধান বিনিয়োগকারী বলে জানিয়েছে ভারতেরসংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্টে বলা হয়, ভারতের বিতর্কিত ইসলামী বক্তা জাকির নায়েকের পিস টিভিতে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীনদলের একজন নেতার পক্ষ থেকে অন্তত ১০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। রোববার বাংলাদেশে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়ার পরএ সম্পর্কিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশে দুই দফা বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত মন্ত্রিসভা কমিটির এক বৈঠকেবাংলাদেশে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জাকির নায়েক পরিচালিত মুম্বাইভিত্তিক ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিষ্ঠান হল এই পিস টিভি। এ টিভিতে ধর্ম নিয়ে আলোচনায় ইসলামেরযে ব্যাখ্যা তিনি দেন, তা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

গত ১ জুলাই গুলশানে বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহতম জঙ্গি হামলায় সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে অন্তত দুইজন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জাকিরনায়েকের মত ইসলামী বক্তাদের নিয়মিত অনুসরণ করতেন। তার বক্তব্যে প্ররোচিত হয়ে ভারতের কয়েকজন তরুণ আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় পাড়িজমিয়েছে বলেও খবর এসেছে।

 

এ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর জাকির নায়েকের বিষয়ে উদ্যোগী হয় ভারত সরকার। মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে।

মহানবীর রওজা জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: মদিনায় মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) এর রওজা মোবারক জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (০৬ জনু) রাতে মসজিদে নববীতে ঈশা ও তারাবিহ আদায়ের পর বোন শেখ রেহানাসহ সফরসঙ্গীদের নিয়ে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) এর কবর জিয়ারতে যান প্রধানমন্ত্রী।

জিয়ারতের আগে প্রধানমন্ত্রী রওজা শরীফে দু’রাকাত নামাজ আদায় করেন। পরে তিনি মোনাজাতে অংশ নেন।

Salman F Rahman

সোমবার বেলা ১১টার পর জেদ্দা থেকে বিশেষ প্লেনে মদিনায় আসেন প্রধানমন্ত্রী। মদিনায় তিনি মসজিদের নববীর পাশে হিল্টন হোটেল ওঠেন। তিনি মসজিদে নববীতে যোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজ আদায় করেন। প্রথম রোজার ইফতারও তিনি মসজিদের নববীতে করেন।

এর আগে সৌদি আরব পৌঁছে পবিত্র ওমরাহ পালন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সরকারি এ সফরে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমান বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।

বৈঠকে তাদের মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দ্বি-পক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বিভিন্ন প্রকল্পে সৌদি সহযোগিতা বাড়ারো এবং হজ ব্যবস্থাপনার মতো বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

শুক্রবার (০৩ জুন) মধ্যরাতে প্রধানমন্ত্রী তার বোন শেখ রেহানাসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও সফর সঙ্গীদের নিয়ে জেদ্দা থেকে মক্কায় পৌঁছান। হারাম শরীফের পাশে মক্কা গেস্ট প্যালেসে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর তিনি সঙ্গীদের নিয়ে হারাম শরীফে যান।

হারাম শরীফে পরিবারের সদস্য ও সফর সঙ্গীদের নিয়ে মধ্যরাতের পর কাবাঘর তাওয়াফ শুরু করেন। তাওয়াফ শেষে হারাম শরীফে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাতে অংশ নেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাফা-মারওয়া প্রদক্ষিণ করেন। মক্কায় (শনিবার-০৪ জুন) তিনি ফজরের নামাজ আদায় করেন। ওমরাহ পালন শেষে প্রধানমন্ত্রী মক্কা গেস্ট প্যালেসে অবস্থান করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন ছোট বোন শেখ রেহানা, কয়েকজন আত্মীয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জনলুন আবেদীন।

ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান, এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদসহ একটি প্রতিনিধি দল।

শনিবার (০৪ জুন) বিকেলে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের চ্যান্সারি কমপ্লেক্স ও বাংলাদেশ ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

মঙ্গলবার (০৭ জুন) সৌদি সময় সকাল সাড়ে ১০টায় মদিনার প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা ককরবেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তার ঢাকা পৌঁছানোর কথা।

Source:http://www.banglanews24.com/probash/news/494001/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%93%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80

কৃষি থেকে শিল্পে যাচ্ছি, আপনারা আসুন: সৌদি ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ এখন কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে শিল্পের দিকে যাচ্ছে জানিয়ে এদেশে বিনিয়োগের জন্য সৌদি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার সকালে জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে জানান।

বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা ইতোমধ্যেই নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

“সৌদি বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা নেতাদের আমাদের দেশে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, সমৃদ্ধি এবং লভ্যাংশের অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কোটি মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশের উদীয়মান শিল্প খাত যেমন- বস্ত্র, চামড়া শিল্প, পাট, সিরামিক, পেট্রো-কেমিকেল, ফার্মাসিউটিক্যালস, শিপ বিল্ডিং, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্লাস্টিক পণ্য, হালকা প্রকৌশল ও ইলেকট্রনিকস, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সমুদ্র সম্পদসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ‘সবচেয়ে উদার’ বিনিয়োগ নীতির দেশ মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আইন করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা, ট্যাক্স হলিডে, যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর রেয়াত, রয়্যালটির রেমিটেন্স, অনিয়ন্ত্রিত প্রত্যাহার নীতি এবং লভ্যাংশ ও পুঁজি দেশে ফিরিয়ে নেওয়াসহ অনেক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া তরুণ, পরিশ্রমী এবং তুলনামূলক স্বল্প বেতনে প্রশিক্ষিত জনশক্তি, স্বল্প খরচে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত, জাপান ও নিউজিল্যান্ডের বাজারে পণ্যের শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশ সুবিধার কথা তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তার সরকার দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) প্রতিষ্ঠা করছে এবং তথ্য-প্রযুক্তি শিল্পের জন্য একাধিক হাই টেক পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

“এসইজেড ও হাই টেক পার্কে বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া হচ্ছে।”
বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, “জীবন-জীবিকার প্রয়োজননির্ভর কৃষিভিত্তিক রাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ এখন একটি যন্ত্রনির্ভর, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বৈচিত্র্য ও মূল্য সংযোজনের দেশে পরিণত হচ্ছে।”
শেখ হাসিনা বলেন, ক্রয় ক্ষমতার সক্ষমতার (পিপিপি) দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৭তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

“আমাদের অর্থনীতি বর্তমান বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল পাঁচটি অর্থনীতির একটি।”

গোল্ডম্যান স্যাস বাংলাদেশকে ‘নেক্সট ইলেভেন’ এবং জে পি মরগ্যান ‘ইমার্জিং ফাইভ’ অর্থনীতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার তথ্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
গত সাত বছরে ৬ ভাগের ওপর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা এবং রপ্তানি আয়, রেমিটেন্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির কথা সৌদি ব্যবসায়ীদের জানান তিনি।

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল এক বিলিয়ন ডলার। এটাকে আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে জেসিসিআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান মাজেন এম বাত্রিজি দুই দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে বর্তমান ব্যবসার আকার যথেষ্ট না। এটা বাড়াতে হবে। এজন্য দুই দেশের ব্যবসায়ীদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।”

বিনিয়োগের সম্ভাবনা খুঁজতে জেসিসি থেকে ব্যবসায়ীদের একটা প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে প্রকৌশলী, স্থপতির মত দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানির লক্ষ্যে সৌদি আরবভিত্তিক বাওয়ানি গ্রুপ এবং বাংলাদেশের সেনাকল্যাণ সংস্থার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ও বাওয়ানি গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক ফাকের এ আল-শাওয়াফ নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, বাংলাদেশের শিল্পোদ্যোক্তা সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদসহ অন্যান্য ব্যাবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

source:http://bangla.bdnews24.com/economy/article1163053.bdnews