Salman F Rahman new ATCO president

salman_f_rahman_beximco

Salman F Rahman, chairman of Independent Television, was elected president of ATCO (Association of Television Channel Owners) yesterday. Ekattor TV Managing Director Mozammel Babu and Desh TV Deputy Managing Director Arif Hasan were elected senior vice president and vice president respectively of the private television channel owners’ association in Bangladesh.  The 15-member committee has been elected for a 2-year tenure. After the election, the new committee expressed its optimism to take forward the country’s rapidly expanding media industry. New ATCO President Salman F Rahman said the election of the new committee will add momentum to the activities of ATCO. He also expressed hope that various problems that exist in this industry will be solved through the new committee. The election to ATCO’s new committee was held at a hotel in the capital.

Read Source: http://www.theindependentbd.com/post/95771

ব্যবসায়ীদের দাবি বিবেচনা করে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হবে

সালমান এফ রহমান

কার্যকর হতে যাওয়া ভ্যাট আইনে ব্যবসায়ীরা যেসব সমস্যার কথা বলেছেন তা সমাধান করেই আইন বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

সোমবার রাত ১০ টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এফবিসিসিআইর আগামী মেয়াদে নির্বাচনে পরিচালক প্রার্থী প্যানেল ‘সম্মিলিত গণতান্ত্রিক পরিষদের’ সব প্রার্থীকে ভোটারদের কাছে পরিচয় করে দেয়ার জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালমান এফ রহমান এসব কথা বলেন।

উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ভ্যাট নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। আইনে ব্যবসায়ীদের আপত্তি অনুসারে যেসব সমস্যা আছে বলে অভিযোগ উঠেছে সেগুলো বিবেচনা করেই আইন বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিষয়ে আপনাদের চিন্তা করতে হবে না।

এর আগে এফবিসিসিআই’র আগামী মেয়াদে সভাপতি প্রার্থী শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, এফবিসিসিআই’র মাধ্যমে ভ্যাট আইনে বেশ কয়কটি সমস্যার কথা উল্লেখ করে এনবিআরের কাছে তা সংশোধনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

কিন্তু ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভ্যাট নিয়ে যত বড় আইন হোক, তা ব্যবসায়ীদের বিপক্ষে গেলে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করা হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, আকাশে যত তারা এনবিআরের তত ধারা। আমরা এনবিআরকে বলবো, আসেন একসঙ্গে মিলে মিশে থাকি। ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাই। অযথা ব্যবসায়ীদের আকাশের তারা বানাবেন না।

বর্তমানে ব্যবসার পরিস্থিতি ভাল নয় উল্লেখ করে বিজিএমইএর বর্তমান সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এফবিসিসিআইর জন্য একজন যোগ্য নেতা দরকার। কারন বর্তমানে দেশে ব্যবসার অবস্থা ভাল নয়। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে খুব দূরাবস্থা চলছে। যেখানে গত ১০ বছর ধরে এ খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ১৩ শতাংশ বর্তমানে তা ২ দশমিক ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। একে প্রবৃদ্ধি বলা যায় না।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই’র আগামি মেয়াদে সভাপতি প্রার্থী শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন তার প্যানেলে অ্যাসোসিয়েশন থেকে ১৮ জন পরিচালক প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের জন্য ভোট চেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে ত্রানমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক, এফবিসিসিআইর সাবেক সব সভাপতি, প্রথম সভাপতি, সহ-সভাপতিসহ অন্যান্য পরিচালক ও ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।

Read Source : http://www.channelionline.com/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%9A%E0%A6%A8/

সার্কভুক্ত দেশগুলোতে অবিশ্বাস্য প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে : সালমান এফ রহমান

1492363473_20.jpg
অর্থনৈতিক রিপোর্টার : আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, সার্কের দেশগুলোর মধ্যে সীমানা মানুষের তৈরি। সার্কভুক্ত দেশগুলো এক জোট হলে, নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করলে অবিশ্বাস্য প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হবে।
গতকাল রোববার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে সার্ক চেম্বার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর ব্যবসায়ী, গবেষক ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সার্ক সিসিআই) সভাপতি সুরাজ বৈদ্য বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার ৯৫ শতাংশ মানুষ আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কে বিশ্বাস করে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মানুষ ভালো। শূন্য দশমিক ১ শতাংশ সন্ত্রাসবাদী। এদের কারণে ভালো মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সুরাজ বৈদ্য বলেন, সার্ক দেশগুলোর ভালো মানুষেরা এ অঞ্চলে অবাধে চলাচল করতে পারে না। এটা কি সার্কের আশাবাদের প্রতি ন্যায্য আচরণ? সন্ত্রাসীরা কিন্তু ঠিকই ঘুরে বেড়ায়। তাদের ভিসার প্রয়োজন হয় না।
সভায় আলোচনায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, অন্য অঞ্চল যেখানে নিজেদের মধ্যে বড় অংশের বাণিজ্য করে, সেখানে সার্কের দেশগুলো মোট বাণিজ্যের মাত্র ৫ শতাংশ নিজেদের মধ্যে করে।
অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি মাহবুবুল আলম, সাবেক তত্ত¡াবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ম তামিম, পাকিস্থানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব তৈমুর তাজমহল, ঢাকায় পাকিস্থান দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সুলেমান খান, নেপালের গবেষক থ্রিশিজ দাহাল, শ্রীলঙ্কার গবেষক কিথমিনা হেওয়াজ বক্তব্য দেন।

পর্দা উঠলো এশিয়া এলপিজি সামিটের

opening20170226132447_orig.jpg

ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো চতুর্থ এশিয়া এলপিজি সামিট-২০১৭। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ সামিটের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জ্বালানি বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী, এলপিজি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রাইভেট খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান, ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী।
বসুন্ধরার মতো জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানসহ দেশি ও বিদেশি ৬৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে এই সামিটে, যারা এলপি গ্যাস বাজারজাত, সিলিন্ডার ও অন্যান্য খুচরা যন্ত্রাংশের উৎপাদক হিসেবে কাজ করছে। প্রতি দিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সামিট উন্মুক্ত থাকবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক সময় বলা হয়েছে বাংলাদেশ গ্যাসের উপরে ভাসছে। এইটা ছিল গ্যাস রপ্তানি করার জন্য বিএনপি-জামায়াত জোটের স্টান্ডবাজি। কোনো সমীক্ষা ছাড়াই এমন কথা বলা হয়েছিল। প্রাকৃতিক গ্যাস মূল্যবান সম্পদ। আমরা এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাই। এ জন্য শুধু শিল্পে এর ব্যবহার থাকবে। অন্যান্য খাতে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। এ জন্য আমরা এলপিজির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি তিন বছর সময় চেয়েছিলাম সারাদেশে এলপিজি পৌঁছে দেওয়ার জন্য। এর মধ্যে এক বছর গেছে। আশা করছি, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সত্তরভাগ লোকজন এলপি গ্যাসের আওতায় চলে আসবে।

নসরুল হামিদ বলেন, এলপি গ্যাস এলএনজির চেয়ে সাশ্রয়ী। আমরা গৃহস্থালির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ‍উৎপাদন ও শিল্পে এলপিজি ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে গভীর সমুদ্র বন্দর নেই। লাইটারেজে এলপিজি আনতে হয়। এতে করে পরিবহন খরচ অনেক বেড়ে যায়। গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ শেষ হলে ৩০ শতাংশ দাম কমে আসবে।
আগামী দুই বছরের মধ্যে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ শেষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

কোম্পানি ভেদে দামের কমবেশি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছি। আগামী দু’ মাসের মধ্যেই এই নীতিমালা চলে আসবে। তখন এই তারতম্য থাকবে না।
সরকার এলপিজিকে নিরাপদ, সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী মূলে জনগণের হাতে পৌঁছে দিতে চায় বলে মন্তব্য করেন নসরুল হামিদ।

তিন দিনব্যাপী এই এলপিজি সামিটের আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক এলপিজি অ্যাসোসিয়েশন, অল ইভেন্ট গ্রুপ-সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড। এর আগে তিনটি আসর বিভিন্ন দেশের মাটিতে হলেও এবারই প্রথম বাংলাদেশে এই সামিট আনুষ্ঠিত হচ্ছে।
Read Source:http://www.banglanews24.com/economics-business/news/bd/556807.details

Bangladesh respected the main holder transport from India at Pangaon Terminal

salman f rahmanBangladesh invited ‘MV Nou Kollan-1’, the primary holder send from India at Pangaon Inland Container Terminal in Keraniganj. In 2015, a Coastal Shipping Agreement was marked between the two nations, allowing direct transportation of freight vessel over the outskirts. India has named this collusion as an ‘appreciated improvement’.

This progression will incredibly upgrade the network amongst India and Bangladesh as the driving time will get lessened from 30-40 days to 4-10 days.

Dignitaries like Secretary, Ministry of Shipping, Bangladesh-Ashoke Madhab Roy, Shipping Minister Shajahan Khan, Commerce Minister Tofail Ahmed, State Minister for Power, Energy and Mineral Resources Nasrul Hamid and Vice Chairman of Beximco Group Salman F Rahman graced the occasion of emptying 65 holders conveyed by the ship.

Talking on the occasion, Shipping Minister Shajahan Khan stated, “The holder development operation from India to Bangladesh will be proceeded to significantly save money on both time and cost.”

He additionally included, “Purchasers from India and abroad will be profited taking after the operation of the Pangaon Container Terminal. We will set up corners of a few banks in conjunction with Sonali Bank for giving keeping money offices to business elements.”

Respecting the entry of the compartment send worked by Riverline Logistics and Transport Ltd. Indian High Commissioner to Dhaka Harsh Vardhan Shringla stated, “Without precedent for history, Bangladesh has respected a load deliver from India; it is in fact a notorious date.”

“With this assention, now load boats can without much of a stretch drive amongst Dhaka and Kolkata in only 3-4 days. This will turn out to be a financially savvy and faster method of transportation of products. Additionally, it will enormously decongest the streets and land custom stations through which dominant part of the two-sided exchange happens as of now,” said Salman F Rahman.

Beximco Pharmaceuticals Ltd Beximco Pharma forms JV with BioCare Manufacturing

pBeximco Pharmaceuticals Ltd

25 January 2017

25 January, 2017

BEXIMCO PHARMACEUTICALS LTD.

Beximco Pharma forms JV with Malaysia-based BioCare Manufacturing

Beximco Pharmaceuticals Limited (“Beximco Pharma” or “the Company”; AIM Symbol: BXP), the fast-growing manufacturer of generic pharmaceutical products and active pharmaceutical ingredients, announces the creation of a joint venture (“JV”) with BioCare Manufacturing (M) Sdn Bhd (“BioCare”) based in Malaysia, as the Company’s first overseas manufacturing collaboration.

Under the terms of the JV, Beximco Pharma will provide full technical support to BioCare for the establishment of manufacturing facilities in Seri Iskandar Pharmaceutical Park, Perak, Malaysia to produce specialised pharmaceutical products. Beximco will be issued 30% of the equity shares in the JV company. BioCare will operate and fund the facility.

In the first phase of the project, an international standard metered dose inhaler facility has been created which has already received good manufacturing practices (“GMP”) approval from Ministry of Health (“MoH”) Malaysia.

Whilst it is expected that the JV’s first sales from this facility will be made during 2017, the Company does not expect a significant contribution to its profits from the collaboration in the short term. However, the JV is an important testimony of the Company’s technical capability as a generic drug manufacturer.

The JV is intended to manufacture and supply differentiated medical products, such as inhalers, under the Malaysian government’s Economic Transformation Program. The Malaysian government’s initiatives are aimed at increasing investment in the country’s pharmaceutical industry to provide dedicated drug manufacturing facilities, improve generic drug capabilities, and promote local production to qualify for government procurement.

BioCare Group (M) Sdn Bhd, the majority shareholder of BioCare, has a strong presence in a range of key therapeutic segments in both government and private healthcare sectors in Malaysia.

Managing Director of Beximco Pharma, Mr. Nazmul Hassan MP, commented:

“This is our first overseas manufacturing collaboration and I believe our JV with BioCare will help address the unmet needs of patients and physicians by supporting the Malaysian government’s initiative to promote the local pharmaceutical industry. This kind of collaboration is also in line with our aspiration to continue to strengthen our global presence as a generic pharmaceutical company.”

For further information please visit http://www.beximcopharma.com or enquire to:

Beximco Pharma

Nazmul Hassan MP, Managing Director

Tel: +880 2 58611001, ext.20080

SPARK Advisory Partners Limited (Nominated Adviser)

Mark Brady / Sean Wyndham-Quin

Tel: +44 (0) 20 3368 3551 / 3555

FTI Consulting

Simon Conway / Victoria Foster Mitchell

Tel: +44 (0) 20 3727 1000

Notes to Editors

About Beximco Pharmaceuticals Limited

Founded in 1976 and based in Dhaka, Bangladesh, Beximco Pharma manufactures and sells generic pharmaceutical formulation products and active pharmaceutical ingredients. The Company also undertakes contract manufacturing for multinational and leading global generic pharmaceutical companies. The Company operates from a 23 acre site in Dhaka and has manufacturing facilities for producing various drugs in different delivery systems such as tablets, capsules, liquids, semi-solids, intravenous fluids, metered dose inhalers, dry powder inhalers, sterile ophthalmic drops, prefilled syringes, injectables, nebuliser solutions, oral soluble films etc. Ensuring access to quality medicines is the powerful aspiration that motivates 3,500 employees of the Company.

Beximco Pharma’s state-of-the-art manufacturing facilities are certified by global regulatory authorities of USA, Europe, Australia, Canada, GCC and Latin America, among others. The Company’s products are sold to retail outlets, medical institutions and other pharmaceutical manufacturers in Bangladesh, in regional markets such as Sri Lanka, Nepal, Bhutan, Vietnam, Cambodia and Myanmar and in other markets overseas, principally in South East Asia, including Singapore, Taiwan, Malaysia, Indonesia, Philippines and Hong Kong; Africa, including South Africa, Mauritius, Kenya, Ghana, Ethiopia, Uganda and Nigeria; Central Asia, including Azerbaijan; Middle East, including Kuwait and Jordan; Pacific Island countries; Latin and Central American countries; Europe, including Austria, Germany and Romania; Australia and the US.

This information is provided by RNS

The company news service from the London Stock Exchange

হেপাটাইটিস সি’র নতুন ওষুধের সাব-লাইসেন্স বেক্সিমকো ফার্মার

ঢাকা: জাতিসংঘ সমর্থিত পাবলিক হেলথ অরগানাইজেশন মেডিসিনস পেটেন্ট পুল (এমপিপি) হেপাটাইটিস সি রোগের নতুন ওষুধ ব্রিস্টল-মিয়ার্স স্কুইব’র ‘ডেক্লাটাসভির’ প্রস্তুতের জন্য বেক্সিমকো ফার্মাকে সাব-লাইসেন্স দিয়েছে।

মঙ্গলবার (০৬ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ০১ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম কোম্পানি হিসেবে বেক্সিমকো ফার্মা এমপিপির সাব-লাইসেন্স অর্জন করেছে। এইচসিভি ভাইরাসের সব জেনোটাইপসের বিরুদ্ধে প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে ‘ডেক্লাটাসভির’।

hepatitis-c-s1-hep-c-virus20161207054150

২০১৪ সালের আগস্টে ইউরোপে রেগুলেটরি অনুমোদন লাভ করে ওষুধটি এবং ২০১৫ সালের এপ্রিলে অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগ হিসেবে ডব্লিউএইচও’র মডেল লিস্টে স্থান করে নেয় ওষুধটি। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এই ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৫ সালের নভেম্বরে এমপিপি, ব্রিস্টল-মিয়ার্স স্কুইব এর সঙ্গে একটি টেকনোলজি ট্রান্সফার চুক্তি করে।

এমপিপি’র নেটওয়ার্কে বেক্সিমকো ফার্মার সংযুক্তি সম্পর্কে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান এমপি বলেন, বাংলাদেশের প্রথম কোম্পানি হিসেবে এমপিপি’র নেটওয়ার্কে জায়গা করে নেওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন খরচের সাহায্যে এই ওষুধের সহজলভ্যতা আমরা নিশ্চিত করতে পারবো, যার মাধ্যমে হেপাটাইটিস সি রোগের অত্যন্ত কার্যকরী এই ওষুধ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে সহজলভ্য হবে।

এইচআইভি, ভাইরাল হেপাটাইটিস সি ও যক্ষা চিকিৎসা নিয়ে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে কাজ করছে এমপিপি। এমপিপি সরকার, শিল্প, সুশীল সমাজ, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ, রোগী ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কাজ করে। এমপিপি সবসময় সত্ত্ব ঠিক রেখে উৎপাদন বাড়ানোকে উৎসাহিত করে। উন্নয়নশীল বিশ্বের ১৩১টি দেশে এইচআইভি ও হেপাটাইটিস সি’র চিকিৎসা নিশ্চিত করতে  বর্তমানে ১৫টি জেনেরিক কোম্পানির সঙ্গে ১শটিরও বেশি প্রকল্পে কাজ করছে এমপিপি।

এখন পর্যন্ত ‘ডেক্লাটাসভির’ এর সাব-লাইসেন্স পেয়েছে স্যান্ডোজ, অরবিন্দ, সিপলা, এমকিউর, হেটেরো, লোরাস, ন্যাটকো ফার্মা লিমিটেড ও জিডাস ক্যাডিলা।